Global24plus

এক ধাক্কায় বেতন বাড়ল ৬০%! প্রধানমন্ত্রীর এই অভাবনীয় পদক্ষেপ নিয়ে তোলপাড় নেটদুনিয়া

এক ধাক্কায় বেতন বাড়ল ৬০%! প্রধানমন্ত্রীর এই অভাবনীয় পদক্ষেপ নিয়ে তোলপাড় নেটদুনিয়া

এক ধাক্কায় বেতন বাড়ল ৬০%! প্রধানমন্ত্রীর এই অভাবনীয় পদক্ষেপ নিয়ে তোলপাড় নেটদুনিয়া

সিঙ্গাপুর —এক ধাক্কায় বেতন বাড়ল ৬০% প্রধানমন্ত্রীর এই অভাবনীয় পদক্ষেপ নিয়ে তোলপাড় নেটদুনিয়া। দেশের মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের বেতনের নিয়মে বড় পরিবর্তন এনেছে সিঙ্গাপুর সরকার। দীর্ঘ ১৫ বছর পর এই প্রথম পরিবর্তন আনা হলো। নতুন এই নিয়মের ফলে দেশটির প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং-এর বার্ষিক নির্ধারিত বেতন ২২ লাখ সিঙ্গাপুর ডলার থেকে বেড়ে ৩৬ লাখ সিঙ্গাপুর ডলারে (প্রায় ২৮ লাখ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৫ কোটি টাকা) গিয়ে পৌঁছেছে।

​তবে এই সিদ্ধান্তের পরেই প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং এক বড় ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছর তাঁর এই বাড়তি বেতনের একটি টাকাও তিনি নিজের কাছে রাখবেন না; এর পুরোটাই তিনি বিভিন্ন দাতব্য ও জনকল্যাণমূলক তহবিলে দান করে দেবেন।

​কেন মন্ত্রীদের এত বেশি বেতন দেওয়া হয়?

​সিঙ্গাপুর সরকারের একটি বিশেষ চিন্তা রয়েছে—সরকারি কাজের জন্য দেশের সবচেয়ে যোগ্য ও মেধাবী মানুষদের রাজনীতিতে নিয়ে আসা। সরকার মনে করে, বেসরকারি খাতের মতো ভালো বেতন না দিলে বড় বড় যোগ্য কর্মকর্তারা রাজনীতিতে আসতে চাইবেন না।

​এছাড়া, মন্ত্রীদের যথেষ্ট ভালো বেতন দিলে তাঁরা অনৈতিক কোনো সুবিধা বা দুর্নীতির দিকে ঝুঁকবেন না বলেও মনে করে সিঙ্গাপুর সরকার।

​”দেশ চালানোর জন্য সবচেয়ে ভালো ও দক্ষ মানুষদের প্রয়োজন। আর ভালো মানুষদের ধরে রাখার কাজটা সবসময় সহজ নয়।”

পার্লামেন্টে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওং-এর বক্তব্য

​তবে সরকার পরিষ্কার করেছে যে, এই ৩৬ লাখ ডলার হলো সর্বোচ্চ সীমা বা বেঞ্চমার্ক। পদে থাকা সব মন্ত্রীই যে সরাসরি পুরো টাকাটি হাতে পাবেন, বিষয়টি তেমন নয়। কাজের দক্ষতার ওপর নির্ভর করে বেতন ঠিক করা হবে।

সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া

​প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাড়তি বেতন দান করার সিদ্ধান্ত নিলেও, এই বেতন বৃদ্ধি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, ইদানিং সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম এবং সংসার চালানোর খরচ অনেকটাই বেড়ে গেছে।

​এমন পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বৃদ্ধি অনেকের কাছেই একটু দৃষ্টিকটু মনে হচ্ছে।

​”দুর্নীতি কমানোর জন্য ভালো বেতন হয়তো দরকার, কিন্তু সাধারণ মানুষের আয়ের সাথে এই বিশাল তফাত মানুষের মনে কিছুটা হলেও অসন্তোষ তৈরি করে।”

Exit mobile version