Headlines

কোচবিহার আদালতের তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার সিভিক ভলেন্টিয়ার।

কোচবিহার আদালতের তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার সিভিক ভলেন্টিয়ার। কোচবিহার আদালতের তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার সিভিক ভলেন্টিয়ার।

কোচবিহার আদালতের তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার সিভিক ভলেন্টিয়ার। বিচারক থেকে শুরু করে মামলার তদন্তকারী আধিকারিকদের (IO) গোপন ও স্পর্শকাতর নথি টাকার বিনিময়ে পাচার! কোচবিহার জেলা আদালতের জিআরও (GRO) অফিসে কর্মরত এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করল জেলা পুলিশ। অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আদালতের GRO অফিসে কর্মরত ছিলেন।

​জিআরও অফিসে ১০ বছরের আস্থা ভেঙে নথি বিক্রির কারবার

​দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আদালতের জিআরও (GRO) অফিসে কর্মরত থাকায় মামলার সব গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের সরাসরি নাগাল পেতেন অভিযুক্ত সিভিক।

​অভিযোগের ধরন: বিচারকদের গোপন নির্দেশনামা, কেস ডায়েরি এবং তদন্তকারী আধিকারিকদের স্পর্শকাতর রিপোর্ট মোটা টাকার বিনিময়ে বাইরের অসাধু চক্রের হাতে তুলে দিতেন তিনি।

​দীর্ঘদিনের ক্ষোভ: জিআরও সেকশনে বসেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই কাজ চালাচ্ছিলেন এবং উনার বিরুদ্ধে এমন বেআইনি কারবারের অভিযোগ উঠছিল দীর্ঘদিন ধরেই।

​জেলা পুলিশ শাসকের তলব ও ম্যারাথন জেরা

​অভিযোগের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নেয় জেলা পুলিশ প্রশাসন। অবশেষে জেলা পুলিশ প্রধান ও শীর্ষ কর্তারা অভিযুক্ত সিভিককে ডেকে পাঠান।

​টানা দীর্ঘক্ষণ ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি করা হয় তাঁকে। জেরার মুখে নিজের কাজের স্বপক্ষে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি অভিযুক্ত, উল্টে তাঁর বক্তব্যে একের পর এক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। অপরাধে যুক্ত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ মিলতেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

​আইনি মহলে চাঞ্চল্য

​আদালতের মতো সুরক্ষিত জায়গার জিআরও (GRO) অফিসে বসে এভাবে গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে স্থানীয় আইনজীবী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে। পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে—টাকার বিনিময়ে এই নথিগুলি ঠিক কাদের কাছে বিক্রি করা হতো এবং জিআরও অফিসের ভেতরে বা বাইরে এই চক্রে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *