প্রলয়ংকরী হড়পা বানের কোপে রাসুয়া: তিব্বত থেকে আসা পাহাড়ি তোড়ে flofloতছনছ ঘরবাড়ি ও সেতু
তিব্বত সীমান্ত ঘেঁষা উত্তর নেপালের রাসুয়া জেলায় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে নেমে এল এক ভয়াবহ বিপর্যয়। বুধবার সকাল ৯টা নাগাদ তিব্বত থেকে নেপালে প্রবাহিত ভোতেকোশি নদীর জলস্তর আচমকা অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে আসা তীব্র হড়পা বানে ভেসে যায় বিস্তীর্ণ জনপদ। কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত প্রায় ৫০ হাজার জনসংখ্যা অধ্যুষিত এই জেলায় বানেতোড়ে নিমেষেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে অসংখ্য ঘরবাড়ি, স্থানীয় বাজার, বেশ কয়েকটি গাড়ি এবং গুরুত্বপূর্ণ সেতু। সরকারিভাবে ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত পরিসংখ্যান এখনও জানা না গেলেও প্রলয়ের তীব্রতা দেখে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উদ্ধারকাজে মোতায়েন সেনা ও পুলিশ: নেপালের ৬ জেলায় চরম ধ্বংসলীলা, সতর্কতায় ভারতের বিহার
এই হড়পা বানের ভয়াবহতা কেবল রাসুয়া জেলাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; প্রশাসনিক সূত্রে খবর, রাসুয়া পেরিয়ে উত্তর নেপালের মোট ৬টি জেলায় ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়েছে এই বন্যা। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ দ্রুত এক জরুরি বৈঠকে বসেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে দ্রুত গতিতে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য সেনা ও পুলিশ বাহিনীকে সরাসরি মাঠে নামার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে, নেপালের এই প্রলয়ংকরী বন্যার সরাসরি প্রভাব ও জলস্ফীতির আশঙ্কায় প্রতিবেশী ভারতের বিহার রাজ্যেও জারি করা হয়েছে চরম সতর্কতা।