Headlines

বঙ্গোপসাগরের তীরে নতুন মিসাইল ঘাঁটি! প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহাসিক জয়

বঙ্গোপসাগরের তীরে নতুন মিসাইল ঘাঁটি! প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহাসিক জয় বঙ্গোপসাগরের তীরে নতুন মিসাইল ঘাঁটি! প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহাসিক জয়

বঙ্গোপসাগরের তীরে নতুন মিসাইল ঘাঁটি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহাসিক জয়। ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করতে একটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে পূর্ব মেদিনীপুরের জুনপুটে তৈরি হতে চলেছে দেশের তৃতীয় মিসাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা কেন্দ্র। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)-কে এই কেন্দ্রটি তৈরির জন্য জমি ছাড়পত্রের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।

​কী থাকছে এই নতুন কেন্দ্রে?

বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন প্রায় ৮.৭৩ একর উপকূলীয় জমির ওপর এই কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হবে। এর ফলে ভারতের কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। বর্তমানে ওড়িশার চান্দিপুর এবং অন্ধ্রপ্রদেশের একটি কেন্দ্রে ভারতের প্রধান মিসাইলগুলো পরীক্ষা করা হয়। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো পশ্চিমবঙ্গের জুনপুট।

​এই কেন্দ্রে মূলত ছোট বা স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, নৌবাহিনীর কামান এবং আধুনিক রাডার ব্যবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।

​চান্দিপুরের ওপর চাপ কমবে

গত প্রায় ৪০ বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ মিসাইল পরীক্ষার দায়িত্ব একা সামলে এসেছে ওড়িশার চান্দিপুর কেন্দ্রটি। দেশের তৈরি ‘আকাশ’ মিসাইল, ‘পিনাক’ রকেট এবং দূরপাল্লার ‘অগ্নি’ সিরিজের মিসাইল ঘন ঘন পরীক্ষা করার কারণে চান্দিপুরে সবসময় কাজের অনেক জট লেগে থাকত।

​জুনপুট থেকে চান্দিপুরের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। সমুদ্রের ওপর খোলা আকাশ থাকায় জুনপুট থেকে যেকোনো ক্ষেপণাস্ত্র পূর্ব দিকে কোনো বাধা ছাড়াই পরীক্ষা করা যাবে। এই দুটি কেন্দ্র কাছাকাছি থাকায় এখন থেকে খুব সহজেই প্রতিরক্ষা বাহিনী দ্রুত ও ঝামেলা ছাড়া তাদের পরীক্ষা শেষ করতে পারবে।

​প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার এই সম্প্রসারণ ভারতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেও দেশের শক্তিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *