Headlines

হাইকোর্টে ‘ভুয়ো’ মায়ের পর্দাফাঁস: বাংলাদেশি ইব্রাহিমকে ভারতীয় বানানোর চক্রান্ত ভেস্তে দিল আদালত

হাইকোর্টে 'ভুয়ো' মায়ের পর্দাফাঁস: বাংলাদেশি ইব্রাহিমকে ভারতীয় বানানোর চক্রান্ত ভেস্তে দিল আদালত হাইকোর্টে 'ভুয়ো' মায়ের পর্দাফাঁস: বাংলাদেশি ইব্রাহিমকে ভারতীয় বানানোর চক্রান্ত ভেস্তে দিল আদালত

কলকাতা —হাইকোর্টে ‘ভুয়ো’ মায়ের পর্দাফাঁস বাংলাদেশি ইব্রাহিমকে ভারতীয় বানানোর চক্রান্ত ভেস্তে দিল আদালত। এক বাংলাদেশি যুবককে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রমাণ করার চক্রান্ত ভেস্তে গেল কলকাতা হাইকোর্টে। পুলিশের হাতে ধৃত যুবককে নিজের সন্তান দাবি করে রিট পিটিশন দায়ের করা এক নারী বিচারপতির কড়া প্রশ্নের মুখে স্বীকার করে নিলেন যে তিনি ধৃত যুবকের আসল মা নন।

​সংবাদমাধ্যম ও আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৯ জুলাই বাংলাদেশি সন্দেহে ইব্রাহিম শেখ নামে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

​তদন্তে দেখা যায়, সরকারের এসআইআর (SIR) তালিকা থেকেও ইব্রাহিম শেখের নাম বাদ পড়েছিল। এর পরেই তাকে ছাড়াতে ও ভারতীয় প্রমাণ করতে হাইকোর্টে সওয়াল করেন এক নারী, যিনি নিজেকে ইব্রাহিমের মা বলে দাবি করেছিলেন।

​বিচারপতির কড়া প্রশ্নেই খুলে গেল নাটকীয় মুখোশ

​আদালতের কক্ষে শুনানি চলাকালীন বিচারপতির তীক্ষ্ণ প্রশ্নের মুখে পড়ে ধোপে টেকেনি আবেদনকারীর দাবি। পরিবারের ইতিহাস ও নথিপত্র সংক্রান্ত একের পর এক প্রশ্নের মুখে কোণঠাসা হয়ে পড়েন আবেদনকারীর আইনজীবী।

​“আদালতে সওয়াল চলাকালীন আবেদনকারীর আইনজীবী প্রকাশ্যেই স্বীকার করে নেন যে ভুয়ো তথ্য দিয়ে ওই নারীকে মা সাজানো হয়েছিল,” 

কেন্দ্রীয় সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ, ২২ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানি

​আদালতকে বিভ্রান্ত করার এই চরম চেষ্টায় চরম ক্ষুব্ধ হন বিচারপতি। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে বিষয়টি বিস্তারিত জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও কেন্দ্রীয় সংস্থাকে লিখিত অভিযোগ জানাতে হবে। এই আন্তর্জাতিক বা জাল নথিপত্র চক্রের পেছনে কারা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

​অন্যদের বিভ্রান্ত করার অপরাধে ওই ‘ভুয়ো’ মায়ের বিরুদ্ধে কী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তার জন্য আগামী ২২ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছে হাইকোর্ট।

​আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমান্ত এলাকার জাল পরিচয়পত্র তৈরির চক্রের বিরুদ্ধে এটি আদালতের একটি বড় সতর্কবার্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *