Headlines

দ্বিতীয় স্ত্রীর পারিবারিক পেঁশনের অধিকার নিশ্চিত করল পাটনা হাইকোর্ট

পাটনা হাইকোর্ট: দ্বিতীয় স্ত্রীও পারিবারিক পেনশন পাওয়ার অধিকারী পাটনা হাইকোর্ট: দ্বিতীয় স্ত্রীও পারিবারিক পেনশন পাওয়ার অধিকারী

দ্বিতীয় স্ত্রীর পারিবারিক পেঁশনের অধিকার নিশ্চিত করল পাটনা হাইকোর্ট।​এক ঐতিহাসিক রায়ে পাটনা হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, সরকারি কর্মচারীর মৃত্যুর পর তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীও পারিবারিক পেনশন পাওয়ার যোগ্য। বিচারপতি পূর্ণেন্দু সিং-এর একক বেঞ্চ জলসম্পদ বিভাগের ২০১৯ সালের একটি আদেশ বাতিল করেছেন, যে আদেশে এই সুবিধা অস্বীকার করা হয়েছিল। আদালত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে ইতিবাচক আদেশ জারি করতে এবং সমস্ত বকেয়া অর্থ পরিশোধ নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

​মামলার পটভূমি ও আদালতের পর্যবেক্ষণ

​মামলাটি জলসম্পদ বিভাগের তৃতীয় গ্রেডের কেরানি জয় লাল সাহকে কেন্দ্র করে, যিনি ২০০৯ সালের ১৭ই এপ্রিল মারা যান। তাঁর প্রথম স্ত্রীও ২০০৯ সালের ১০ই ডিসেম্বর মারা যান। আবেদনকারী কুসুম দেবী হলেন জয় লাল সাহর দ্বিতীয় স্ত্রী।

​শুনানিকালে আদালত মামলার মূল তথ্যগুলো পর্যালোচনা করেন:

​বিভাগীয় আবেদন: প্রথম স্ত্রীর সাথে কোনো সন্তান না থাকায় জয় লাল সাহ পুনরায় বিয়ে করার অনুমতি চেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিভাগে আবেদন করেছিলেন।

​প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা: জয় লাল সাহর আবেদন পাওয়ার পরও বিভাগটি তাঁর চাকরির সময়কাল পর্যন্ত সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

​আইনি সমাধান: হাইকোর্ট বিভাগের খারিজ আদেশ বাতিল করে কুসুম দেবীকে অবিলম্বে বকেয়া অর্থসহ পারিবারিক পেনশন প্রদানের নির্দেশ দেয়।

মামলার মূল তথ্যবিবরণ:আদালত ও বিচারক পাটনা হাইকোর্ট (বিচারপতি পূর্ণেন্দু সিং)

আবেদনকারী:কুসুম দেবী (দ্বিতীয় স্ত্রী)

প্রয়াত কর্মচারী:জয় লাল সাহ (তৃতীয় গ্রেডের কেরানি, জলসম্পদ বিভাগ)

কর্মচারীর মৃত্যুর :তারিখ১৭ই এপ্রিল, ২০০৯

প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর: তারিখ১০ই ডিসেম্বর, ২০০৯

মূল রায়:দ্বিতীয় স্ত্রী পারিবারিক পেনশনের অধিকারী; ২০১৯ সালের প্রত্যাখ্যান আদেশ বাতিল

এই রায়ের গুরুত্ব

​এই রায়টি সরকারি বিভাগগুলোর প্রশাসনিক জবাবদিহিতাকে আরও শক্তিশালী করে। যখন কোনো সরকারি কর্মচারী বিশেষ পরিস্থিতিতে পুনর্বিয়ের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন, তখন কর্তৃপক্ষের দীর্ঘ নীরবতা বা বিলম্বকে পরবর্তীতে সুবিধাভোগীদের পেনশন অধিকার বঞ্চিত করার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। পাটনা হাইকোর্ট এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের পরিবার ও আশ্রিতদের আইনি অধিকার নিশ্চিত করার এক সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial